কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শনিবার, ২১ জুন, ২০১৪ এ ০৪:৪৩ AM

বন্যপ্রানী ও জীববৈচিত্র্য

কন্টেন্ট: পাতা

বন্যপ্রাণি ও জীববৈচিত্র্য :
বাংলাদেশের বন, অভ্যন্তরীন জলাভূমি এবং বঙ্গোপসাগরে রয়েছে বিপুল জীববৈচিত্র্যের সমাহার। রয়েছে কতিপয় বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির বন্যপ্রাণির অস্তিত্ব। উদ্ভিদ প্রজাতির মধ্যে বাংলাদেশে ৪৭০ প্রজাতির ভাইরাস/ব্যাকটেরিয়া, ১৯৮৮ প্রজাতির শৈবাল, ২৭৫ প্রজাতির ফানজাই, ২৪৮ প্রজাতির ব্রায়োফাইটস, ১৯৫ প্রজাতির টেরিডোফাইটস, ৭ প্রজাতির নগ্নবীজি এবং ৩৬১১ প্রজাতির গুপ্তবীজি রয়েছে (২৬৩৩ প্রজাতির দ্বি-বীজপত্রী এবং ৯৮৮ প্রজাতির একবীজপত্রী)। 

প্রাণিজগতের মধ্যে রয়েছে ৬৫৩ প্রজাতির মাছ যার মধ্যে ২৫১ প্রজাতির মিঠাপানির মাছ এবং ৪০২ প্রজাতির লোনা পানির মাছ। রয়েছে ৬৫০ প্রজাতির পাখি, ৩৪ প্রজাতির অ্যাম্ফিবিয়ান, ১৫৪ প্রজাতির সরীসৃপ এবং ১২১ প্রজাতির স্তণ্যপায়ী। এছাড়াও রয়েছে ১৭৫ প্রজাতির প্রোটোজোয়া, ২৯ প্রজাতির পরিফেরা, ১০২ প্রজাতির নিডারিয়া, ১০ প্রজাতির টেনোফোরা, ৭৬ প্রজাতির রোটিফেরা, ১২৬ প্রজাতির প্লাটিহেলমেনথিক্স, ১৭৬ প্রজাতির নেমাটোড, ৪৭৯ প্রজাতির মোলাস্ক, ৪৬ প্রজাতির একিনোডার্মাটা এবং ৫০০০ এর অধিক আর্থ্রােপোডা। 
    
কিন্তু অত্যধিক জনসংখ্যার চাপ, প্রাকৃতিক সম্পদের মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার, বন উজাড়, বন্যপ্রাণির আবাসস্থল ধ্বংস, দুষণ, বন্যপ্রাণি শিকার ও হত্যার ফলে পরিবেশগত ও প্রাকৃতিক ভারসাম্য হুমকির মুখে। একসময় বাংলাদেশের প্রায় ১৭টি জেলায় বাঘ ছিল। কিন্তু বর্তমানে শুধুমাত্র সুন্দরবনে বাঘ সীমাবদ্ধ রয়েছে। ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে এক শিংওয়ালা গন্ডার, ময়ুর, বুনো গরু, বুনো মহিষ, মিঠাপানির কুমিরসহ ১৩ প্রজাতির প্রাণি। ওটঈঘ এর ২০০০ সনের প্রতিবেদন মোতাবেক আরও ১৬১ প্রজাতির প্রাণি বিলুপ্তির হুমকির মুখে রয়েছে

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন