কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: রবিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ এ ০৭:০৬ PM

উপকূলীয় বনায়নে অর্জিত সাফল্য

কন্টেন্ট: পাতা

 

 

বাংলাদেশ বিশ্বে সর্বপ্রথম সফল উপকূলীয় বনায়নকারী দেশ। উপকূলীয় জনগণের আরও অধিক সুরক্ষা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ বন বিভাগ উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা নতুন চরে ১৯৬৬ সাল থেকে ম্যানগ্রোভ বনায়ন শুরু করে।

 

বন বিভাগ কর্তৃক উপকূলীয় বনায়ণের সফলতা প্রত্যক্ষ করে সরকার উপকূলীয় ১২ লক্ষ ৩৬ হাজার একর (প্রায় ৫ লক্ষ  হেক্টর) এলাকা বনায়নের লক্ষ্যে পরিবেশ ও বন মন্ত্রণালয় এর নিকট হস্তান্তর ও বন আইনের ৪ ধারায় সংরক্ষিত ঘোষণা করেছেন। 

 

বন বিভাগ ষাটের দশক থেকে উপকূলীয় অঞ্চলে জেগে ওঠা চরে বনায়ন শুরু করেছে। উপকূলীয় চরে বনায়ন প্রক্রিয়ায় বনজ সম্পদ সৃষ্টির পাশাপাশি উপকূলবাসীকে প্রাকৃতিক দূর্যোগের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষা করছে এবং সাগর থেকে ভূমি জেগে ওঠাসহ দৃঢ় করণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করছে। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে অভিযোজন এবং এর নেতিবাচক প্রভাব হ্রাসে ঘূর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাস প্রতিরোধে সবুজ বেষ্টনী হিসেবে কাজ করছে; সেই সাথে দেশে কার্বন মজুদ বৃদ্ধি পেয়েছে। উপকূলীয় বনায়ন বন্যপ্রাণীর অভয়াশ্রম ও মৎস্য সমূহের প্রজনন ক্ষেত্র তৈরি করেছে।  
 

 বনায়নের মাধ্যমে বঙ্গোপসাগর থেকে ১ হাজার ৬৮০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের ভূমি দেশের মূল ভূ-খন্ডের সাথে যুক্ত হয়েছে।​

 

 উপকূলীয় চরাঞ্চলে এ যাবৎ ২ হাজার ৫ শত ২১ বর্গ কি.মি. চর বনায়ন করা হয়েছে, যা উপকূলবাসীকে ঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদীভাঙ্গন-এর মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবল থেকে রক্ষা করে আসছে। 

 

উপকূলীয় চর বনায়নের প্রভাবে উপকূলীয় বনের ভূমি স্থায়িত্ব অর্জন করায় উপকূলের ১ লক্ষ ১২ হাজার ৬৩ একর জমি শস্য উৎপাদনের লক্ষে ভুমি মন্ত্রণালয়ে ফেরৎ প্রদান করা হয়েছে।

 

সর্বোপরি, সবুজ বেষ্টনী হিসাবে, উপকূলীয় বন প্রাত্যক্ষভাবে ঘুর্ণিঝড় এবং জলোচ্ছ্বাস সহ প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে লক্ষ লক্ষ জীবন এবং সম্পদের বিপুল ক্ষয়ক্ষতির হাত থেকে বাঁচায়। এছাড়াও, উপকূলীয় বনায়ন নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, পটুয়াখালী ও ভোলা উপকূলীয় জেলায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।

 

 

 

 

 

 

 

 

 

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন